9a99999-এ দায়িত্বশীল খেলার বিষয়টা আমরা কখনো ছোট করে দেখি না। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন অনলাইনে বিনোদন খোঁজেন। সেই বিনোদনের যাত্রা যাতে আনন্দদায়ক থাকে এবং কোনোভাবে ক্ষতিকর না হয়ে যায়, সেজন্যই আমাদের এই সব উদ্যোগ।
অনলাইন গেমিং আসক্তি অন্য যেকোনো আসক্তির মতোই একটি বাস্তব সমস্যা। এটা হঠাৎ করে আসে না — ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। প্রথমে মনে হয় "আজ একটু বেশি খেলে নেই, কাল ছেড়ে দেব।" তারপর সেই কাল আর আসে না। 9a99999 চায় এই ঘটনা তার কোনো সদস্যের সাথে না ঘটুক।
তাই আমরা শুধু নিয়ম লেখায় থামিনি। সত্যিকারের কাজের টুল তৈরি করেছি — ডিপোজিট লিমিট যেটা লাগালেই আর বেশি জমানো যাবে না, সেশন টাইমার যেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলার অভ্যাস ভাঙে, রিয়েলিটি চেক যেটা মনে করিয়ে দেয় কতক্ষণ ধরে আছেন।
অনেক সদস্য জিজ্ঞেস করেন — এই সীমাগুলো লাগালে কি কম মজা পাওয়া যায়? উত্তর হলো — না, বরং বেশি। যখন আপনি জানেন যে বাজেটের মধ্যে আছেন, তখন প্রতিটি বাজিতে মনে টেনশন থাকে না। খেলাটা সত্যিকার অর্থে উপভোগ করা যায়।
9a99999-এ দায়িত্বশীল গেমিং নীতির অধীনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষা। আমরা নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই করি এবং সন্দেহ হলে KYC ডকুমেন্ট চাই। অভিভাবকরা যদি বাসার কম্পিউটারে বা ফোনে পেরেন্টাল কন্ট্রোল চালু রাখেন, সেটা আরও ভালো।
আর্থিক বিষয়টাও সহজ ভাষায় বলি। গেমিংয়ে জেতা অনিশ্চিত। একটি ক্যাসিনো বা স্পোর্টসবুকে দীর্ঘমেয়াদে সব সময় জেতার কোনো গ্যারান্টি নেই। তাই হারানো টাকা ফেরত পেতে আরও বাজির চেষ্টা করবেন না — এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। প্রতিটি গেম নতুন সুযোগ, আগের হার ভুলে যান।
সপ্তাহে কয়েকদিন গেম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। পরিবারের সাথে সময় কাটান, পুরনো বন্ধুদের ফোন করুন, হাঁটতে বেরোন। দায়িত্বশীল খেলা মানে জীবনের ভারসাম্য বজায় রেখে গেমিং উপভোগ করা।